মেডিকেল ক্যাম্প
গ্রামে ডাক্তার পৌঁছয় না, তাই আমরা ডাক্তার নিয়ে যাই।
মসলন্দপুর, আমডোবা, চারঘাট। রবিবার সকালে ক্যাম্প বসে, ডাক্তার দেখেন, ওষুধ দেওয়া হয়। কোনও খরচ নেই।
কলকাতার একদল স্বেচ্ছাসেবী। গ্রামে মেডিকেল ক্যাম্প, সীমান্তে উৎসব, আর ছাত্রদের হাতে বই।
তিনটি কাজ, একটিই কারণ: যেখানে সাহায্য পৌঁছয় না, সেখানে পৌঁছনো।
গ্রামে ডাক্তার পৌঁছয় না, তাই আমরা ডাক্তার নিয়ে যাই।
মসলন্দপুর, আমডোবা, চারঘাট। রবিবার সকালে ক্যাম্প বসে, ডাক্তার দেখেন, ওষুধ দেওয়া হয়। কোনও খরচ নেই।
উৎসব সবার। যেখানে পৌঁছয় না, সেখানে আমরা নিয়ে যাই।
পেট্রাপোল সীমান্তে, বনগাঁয় রাখি উৎসব। এ বছর ছিল পঞ্চম বার।
বইয়ের অভাবে পড়া থেমে যাওয়া উচিত নয়।
মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই ও পড়ার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। গত বার 32 জন।
কারও বেতন নেই, অফিস ভাড়া নেই। তাই যা আসে, প্রায় পুরোটাই কাজে লাগে।
কারও বেতন নেই। কেউ পুরো সময়ের কর্মী নন।
অফিস ভাড়া নেই, তাই সেই খরচটাও নেই।
যা আসে, প্রায় পুরোটাই ওষুধ, বই আর খাবারে যায়।
কোন টাকা কোথায় গেল, সদস্যদের বলা হয়।
পেট্রাপোল সীমান্তে যাঁরা দিনের পর দিন ডিউটি করেন, তাঁদের হাতে রাখি বেঁধে আসা। এ বছর ছিল পঞ্চম বার।
শুধু জওয়ান নন। দোকানদার, ট্রাকচালক, কুলি, পথচলতি মানুষ, একই দিনে একই রাস্তায়।
নিয়মিত অল্প টাকাই কাজটা চালু রাখে। একবারের বড় অনুদানের চেয়ে এটা বেশি কাজে লাগে।
এখন হোয়াটসঅ্যাপে বা ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারে চলছে। প্রতি মাসে নিজে পাঠাতে হয়, কোনও অটো-ডেবিট নেই।
28 আগস্ট 2026
সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের হাতে রাখি বাঁধা হলো। পাঁচ বছর ধরে এটা চলছে।
পেট্রাপোল সীমান্ত, বনগাঁ
16 আগস্ট 2026
রবিবার সকাল থেকে ক্যাম্প। ডাক্তার দেখেছেন, ওষুধ দেওয়া হয়েছে।
চারঘাট, মসলন্দপুর
26 জুলাই 2026
ডাক্তার নিয়ে গিয়ে গ্রামে ক্যাম্প। সকাল থেকে শুরু।
আমডোবা